Academy

সৃজনশীল প্রশ্ন ১. রাফিন ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তার আব্বা সুঠাম দেহের অধিকারী। রাফিন লক্ষ করছে, তার আব্বার দেহে ক্ষত সৃষ্টি হলে শুকাতে দেরি হচ্ছে, চামড়া শুকিয়ে যাচ্ছে, সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ছেন। এসব কারণে রাকিনের বাব্বা ডাক্তার শরণাপন্ন হন। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সুস্থ থাকার জন্য কিছু নিয়মশৃঙ্খলা মেনেচলার উপদেশ দিলেন।

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago
Ans :

সিস্টোলিক রক্তচাপ হল হৃদযন্ত্র সংকোচনের (সিস্টোল) সময় ধমনীগুলিতে সৃষ্ট সর্বোচ্চ চাপ। যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীগুলির মধ্য দিয়ে পাম্প করে, তখন ধমনীর দেয়ালে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ পরিমাপের সময় এটি উপরের সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হয় (যেমন, 120/80 mmHg হলে 120 হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ)। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

1 year ago

হৃদযন্ত্রের যত কথা

মানুষ ও অন্যান্য উচ্চশ্রেণির প্রাণীদের দেহে যেসব তন্ত্র আছে, তার মধ্যে রক্ত সংবহনতন্ত্র উল্লেখযোগ্য। কারণ, এই তন্ত্রের মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে পরিবাহিত হয়। রন্তু সংবহনতন্ত্র গঠিত হয়েছে রুন্তু, হৃৎপিণ্ড ও রক্তবাহিকা নিয়ে। হৃৎপিণ্ড হচ্ছে হৃৎপেশি দিয়ে তৈরি ত্রিকোণাকার ফাঁপা প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো একটি অঙ্গ। এর সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সরবরাহিত হয়। আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা তিন রকম— ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা। রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতর দিয়ে সঞ্চালনের জন্য হৃৎপিণ্ড মানব ও অন্য সকল প্রাণীদেহে পাষ্পের মতো কাজ করে। ধমনি দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয়। সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে শিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে। ধমনি ও শিরার সংযোগস্থল জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়ে কৈশিক জালিকা গঠন করে। আমরা এ অধ্যায়ে সন্তু এবং রক্ত সঞ্চালনের যাবতীয় বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারব।

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :

  • রক্তের উপাদান এবং এদের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তের গ্রুপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তের স্থানান্তরের নীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্ত গ্রহণে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্তে বিঘ্নতা/বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ এবং এর ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শরীরে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আদর্শ রক্তচাপ, হার্টবিট, হার্টরেট এবং পালসরেটের মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • রপ্তচাপজনিত শারীরিক সমস্যা সৃষ্টির কারণ ও প্রতিরোধের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শরীরে রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • কোলেস্টেরলকে প্রত্যাশিত সীমায় রাখার প্রয়োজনীয়তা ও উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রয়ে সুগারের ভারসাম্যতার কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকারে করণীয় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

 

Related Question

View More

1 রক্তচাপ কাকে বলে?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

হৃদপিন্ডের সংকোচন উপসরনের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

রাফিনের আব্বার উপসর্গগুলির ভিত্তিতে বলা যায় যে তিনি সম্ভবত ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

ব্যাখ্যা:

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে দেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় বা দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  1. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে উচ্চ গ্লুকোজের মাত্রা ক্ষত নিরাময়ে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে।
  2. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া: ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
  3. সহজেই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়া: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য। ডাক্তার সাধারণত রোগীদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ডাক্তার সাধারণত ডায়াবেটিস বা এর মতো উপসর্গযুক্ত রোগীদের সুস্থ থাকার জন্য বেশ কিছু সাধারণ উপদেশ দিয়ে থাকেন। রাফিনের আব্বার ক্ষেত্রে, সম্ভবত তিনি নিম্নলিখিত উপদেশগুলো পেয়েছেন:

1. সুষম খাদ্য গ্রহণ:

ডাক্তাররা ডায়াবেটিস রোগীদের এমন খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে থাকে:

  • কম শর্করা যুক্ত খাবার: যেমন কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) সমৃদ্ধ শস্য।
  • প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল: ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • প্রোটিন: মাংস, ডাল, ডিম, বাদাম ইত্যাদি।
  • পর্যাপ্ত পানি: শরীর হাইড্রেট রাখতে এবং শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে।

2. নিয়মিত ব্যায়াম:

ডাক্তাররা রোগীদের প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নিয়মিত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন। এটি শরীরের ইনসুলিন ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

3. ওষুধ সঠিকভাবে গ্রহণ:

যদি রোগীর ডায়াবেটিস থাকলে ডাক্তার প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিন থেরাপি দিতে পারেন। রোগীকে প্রতিদিন সঠিকভাবে ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

4. চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ:

ডাক্তার নিয়মিত ফলো-আপে যাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিকভাবে মনিটর করা যায় এবং রোগের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়।

5. ওজন নিয়ন্ত্রণ:

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। অতিরিক্ত ওজন শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধ বাড়িয়ে দেয়।

6. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ:

ডায়াবেটিস রোগীরা মানসিক চাপের কারণে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করতে পারেন, তাই ডাক্তার মানসিক চাপ কমানোর এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পরামর্শ দেন।

7. ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন:

ধূমপান এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ রক্তে শর্করার মাত্রা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এগুলো বর্জনের পরামর্শ দেয়া হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জীবনধারা পরিবর্তনের এই উপদেশগুলো রোগীকে সুস্থ থাকতে এবং জটিলতা এড়াতে সহায়তা করে।

4 রক্ত কাকে বলে?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

রক্ত (Blood) কী ?
সাধারণত শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, তাই রক্ত। 
▪︎রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু। 
▪︎রক্ত (Blood) হল মানুষের দেহের এক প্রকার 
তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)
যা কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ এবং হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে। 
 

5 কৈশিক জালিকা বলতে কী বুঝায়?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans
No answer found.
Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
Ans
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...